যাদের পিরিয়ড , থাইরয়েড, পিসিওএস নিয়ে শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন তাদের ওজোন বৃদ্ধি পাওয়া একটি কমন লক্ষন। তাদের ওজোন কমবেনা ব্যাপার টা সঠিক নয়। সঠিক সময় ডাক্তারের পরামর্শ মত চললে অবশ্য ই ওজোন কমানো সম্ভব।

হাইপোথাইরয়েডিজম বা সল্প মাত্রার থাইরয়েড একটি সাধারণ ব্যাধি। এটি ক্লান্তি, ওজন বাড়ানো এবং ঠান্ডা অনুভবের মতো বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এটি আপনার চুল, ত্বক, পেশী, স্মৃতি বা মেজাজের সমস্যা কারন হয়ে দাঁড়াতে হতে পারে। এই সমস্যাগুলির কোনওটিই হাইপোথাইরয়েডিজমের কাছে বাধ্যতামুলক নয়। তবুও যদি আপনি এই লক্ষণগুলির বেশ কয়েকটি পেয়ে থাকেন বা সেগুলি গুরুতর হয় তবে আপনার হাইপোথাইরয়েডিজম পরীক্ষা করার প্রয়োজন কিনা তা নির্ধারণ করতে আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

তবে হ্যা, মেডিকেশন এর পাশাপাশি প্রপার নিউট্রিশন, এক্সারসাইজ ও হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করে ওজন ও থাইরয়েড ফাংশন দুটোই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব ।ডায়েট ও এক্সারসাইজ এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও নিশ্চিত করতে হবে । ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করবেন অবশ্যই। অপরিমিত ঘুম হরমোন ফাংশনে ব্যাঘাত ঘটায় যা আপনার থাইরয়েড ফাংশনে ও প্রভাব ফেলবে।

এবার আসি পিসিওস সমস্যা নিয়ে। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজ (পিসিওডি), পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (পিসিওএস) নামে পরিচিত এটি একটি খুব সাধারণ অবস্থা, যা 12-45 বছর বয়সী মহিলাদের 5% থেকে 10% পর্যন্ত প্রভাবিত করে। এটি এমন একটি সমস্যা যার মধ্যে কোনও মহিলার হরমোনগুলি ভারসাম্যের বাইরে থাকে। অনিয়মিত পিরিয়ড র প্রধান কারন এটি। পিসিওএস এর মূল কারণ এখনো জানা যায়নি, তবে ধারণা করা হয় অতিরিক্ত ওজন অথবা বংশগত কারণে এটি হতে পারে।নিয়মিত ডাক্তার র পরামর্শে সঠিক ডায়েট এবং এক্সারসাইজ মেনে চললে ওজোন নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব। পিসিওএস এ দুগ্ধ জাতিয় খাবার কে এভয়েড করা টা ভাল হবে।

পিরিয়ড র সময় ও অনেক মেয়েদের ওজোন বেড়ে যেতে পারে। পিরিয়ডের সময় বেড়ে যাওয়া ওজন পিরিয়ডের শেষে আবার স্বাভাবিক হয়ে আসে। পিরিয়ডের শেষে দেহের হরমোন গুলো তাদের পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে,তাই এর সাথে সাথে ওজন ও কমে যায়।